এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > দেবীর চক্ষুদান, চন্ডীপাঠ থেকে সর্বধর্ম সমন্বয়ের ডাক- দেবীপক্ষ শুধুই মমতাময়

দেবীর চক্ষুদান, চন্ডীপাঠ থেকে সর্বধর্ম সমন্বয়ের ডাক- দেবীপক্ষ শুধুই মমতাময়

বাংলায় প্রিয় উৎসব দুর্গাপুজা। আর সেই দুর্গাপুজা শুধু হিন্দু নয়, সকল জাতিরই যে উৎসবের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মহালয়ার পুন্যলগ্নে দাড়িয়ে ফের সেই কথায় শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, পূর্বঘোষিত কর্মসূচী মত পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনালগ্নে এদিন শহরের বেশ কয়েকটি পুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে যেমন ছিল, শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ,যোধপুর পার্ক সর্বজনীনের মত পুজোগুলি ঠিক তেমনি ছিল পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলা অগ্রনী থেকে কালীঘাট মিলন সঙ্ঘ। রীতি অনুযায়ী, এই দেবীপক্ষ সূচনার দিনেই প্রতিমার চোখ আঁকা হয়। এদিন চেতলা অগ্রনীর পুজোপ্রতিমার মৃন্ময়ী মায়ের ত্রিনয়ন এঁকে চিন্ময়ী রুপ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছিলেন সবুজ পাঞ্জাবি এবং ধুতি পরিহত ফিরহাদ হাকিম। আর সেটাকেই দেখে চেতলা অগ্রনীর পুজো উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধুতি এবং পাঞ্জাবি পড়ে ববিকে খুব ভালো লাগছে। এটাই বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতি।”

পাশাপাশি তাঁর মন্ত্রীসভার দুই সদস্য অরুপ বিশ্বাসের সুরুচি সঙ্ঘ এবং ফিরহাদ হাকিমের চেতলা অগ্রনীর মধ্যে পুজোর সময় প্রতিযোগীতা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জানেন তো, ববি আর অরুপ দুজনেই পুজো লাগল। পুজো নিয়ে ওদের দুজনের মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ওদের এই দুষ্ট, মিষ্টি সম্পর্ক আমার খুব ভালো লাগে।” আর এরপরেই বাংলায় এই উৎসবের পুন্যলগ্নে যাতে কেউ বিঘ্ন ঘটাতে না পারে তার কারনে সকলকে সজাগ থাকতে নির্দেশ দেন বঙ্গের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি বলেন, “ধর্ম আমার, ধর্ম তোমার, উৎসব সবার। কেউ কেউ সব বিষয়েই গন্ডগোল লাগানোর চেষ্টা করে। দুর্গাপুজা, কালীপুজা, ছটপুজা, ঈদ, রমজান সব উৎসবেই এদের মুখ ব্যাঁকা থাকে।” আর এরপরেই কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের লোকেরাই যে এইকাজ করে তা উল্লেখ করে পরোক্ষে বিজেপিকেই খোঁচা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে শুধু চেতলা অগ্রনীই নয়, এদিন বাগবাজার সার্বজনীনের পুজো উদ্বোধন করে বাংলার দুর্গাপুজো যে জাতীয় উৎসবে পরিনত হয়েছে তা সকলকে স্মরন করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শহর কোলকাতার পুজোর সাথে জেলার পুজোগুলিও যে টেক্কা দিতে তৈরি সে কথাও শোনা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। আর এরপরই পুজোর দিনগুলিতে শান্তি, শৃঙ্খলা স্থাপনের জন্য বিভিন্ন ক্লাব কতৃপক্ষ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রশাসনিক কর্তাব্যাক্তিদের সর্বত্র নজড় রাখতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Top
error: Content is protected !!