এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > ঠাকুরনগর থেকেই ‘সিন্ডিকেট-মুক্ত’ বাংলা উপহার দেওয়ার বড় স্বপ্ন দেখালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

ঠাকুরনগর থেকেই ‘সিন্ডিকেট-মুক্ত’ বাংলা উপহার দেওয়ার বড় স্বপ্ন দেখালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

যেমনটা আঁচ করা হচ্ছিল, ঠিক তেমনটাই ঘটলো। বঙ্গে পা রেখেই মতুয়া মহাসঙ্ঘের ঠাকুরনগরে নাম না করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসেকে তীব্র ভাষায় খোঁচা দিতে দেখা গেল বিজেপির পোস্টারবয় তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সূত্রের খবর, এদিন ঠাকুরনগরের সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে সিন্ডিকেটের প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আর সিন্ডিকেট ট্যাক্স লাগবে না”।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে যখন রাজ্যে পদ্ম ফোটানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন বিজেপি নেতারা, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথায় বাংলার মানুষের মনে যে কিছুটা হলেও জায়গা করে নেবে পদ্ম শিবির সেই ব্যাপারটা উপলব্ধি করেই মোদি এদিন এহেন ঘোষণা করেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের শেষ তথা অন্তর্বর্তী বাজেটে কৃষকদের জন্য “কিষান নিধি যোজনার” ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। যে যোজনার মাধ্যমে ২ হেক্টরের কম জমি থাকা কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি বছর ২ হাজার টাকা করে মোট তিনটি কিস্তিতে ৬,০০০ টাকা দেবে কেন্দ্রীয় সরকার।

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

আর এদিন ঠাকুরনগরের সভায় উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রের এই প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদী বলেন, “এবারের বাজেটে কৃষকদের জন্য ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে দেশের ১২ কোটি কৃষক পরিবার উপকৃত হবেন। আর ভোটের পর যখন পূর্ণাঙ্গ বাজেট আসবে তখন কৃষকদের জন্য আরও উন্নয়ন প্রকল্প আনা হবে”। অন্যদিকে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে থাকা দলগুলি যখন নিজেদের কৃষক দরদী হিসেবে তুলে ধরার জন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, তখন এদিনের সভা থেকেই কংগ্রেসকেও একহাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস শাসিত কিছু রাজ্যে যে সমস্ত কৃষকরা ঋণই নেননি, সেই সমস্ত কৃষকদের ঋণ মাপ করা হয়েছে! আসলে এই ঋণ মুকুবের নাম কৃষকদের চোখে ধুলো দেওয়া হচ্ছে”।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশের প্রতিটি বিজেপি বিরোধী দলের পক্ষ থেকেই, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কৃষকদের বিপাকে ফেলছে বলে দাবি করা হচ্ছে। আর এতে কিছুটা হলেও কৃষকদের অসন্তোষকে সামনে এনে বিজেপি বিরোধী ভোটব্যাঙ্ককে শক্ত করতে সচেষ্ট হয়েছে বিরোধীরা। কিন্তু এইভাবে চলতে থাকলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যে অনেকটাই ধাক্কা খাবে গেরুয়া শিবির তা উপলব্ধি করেই এবার বাংলার মাটিতে পা রেখে ঠাকুরনগরের সভায় থেকে সিন্ডিকেট প্রসঙ্গ তুলে একদিকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ, আর অন্যদিকে কৃষকদের ঋণ মুকুবের নামে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলি সাধারণের চোখে ধুলো দিচ্ছে বলে বিরোধীদের সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

Top
error: Content is protected !!