এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > এবার দল ছাড়তে চলেছেন বঙ্গ বিজেপির এক হেভিওয়েট নেতা? ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

এবার দল ছাড়তে চলেছেন বঙ্গ বিজেপির এক হেভিওয়েট নেতা? ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

বাংলায় তৃণমূলের ঘুম উড়িয়ে দিয়ে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ১৮ টি আসন জিতে নিয়েছে বিজেপি। আর তারপরেই তাল খোলা শুরু করে দিয়েছে – যে লোকসভায় হাফ হয়েছে, আসন্ন বিধানসভায় সাফ হবে। অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে নবান্নের দখল নেবে গেরুয়া শিবির। সঠিক সময়ে ভোট হলে সেই বিধানসভা নির্বাচন হতে এখনও দুবছর বাকি। কিন্তু মুকুল রায়ের মত বিজেপি নেতারা ইতিমধ্যেই হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন, যে তৃণমূল সরকারের মেয়াদ নাকি অতদিন থাকবেই না!

অবশ্য, মুকুলবাবুদের কথার পিছনে যুক্তিও আছে। কেননা, লোকসভাতে তৃণমূলকে ধাক্কা দিতেই দলবদল করে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখানোর হিড়িক পরে গেছে। যে বিজেপিকে এতদিন সংখ্যালঘুরা কার্যত ব্রাত্য করে রেখেছিলেন, তাঁরাও বিজেপির ছাতার তলায় আসতে চাইছেন। লোকসভা ভোট ভালো ফলাফল করার পাশাপাশি, সেইসময়ে হওয়া ৮ টি বিধানসভার উপনির্বাচনে, ৪ টিতেই জয়লাভ করেছে বিজেপি। তাছাড়া ইতিমধ্যেই রাজ্যের চারজন বিধায়ক দলবদল করে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন।

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এছাড়াও রোজই প্রায় খবর আসছে, হয় কোনো পৌরসভা বা কোন গ্রাম পঞ্চায়েত রাতারাতি দলবদল করে ঘাসফুল থেকে পদ্মফুলের হয়ে যাচ্ছে। মুকুলবাবুরা তো যুবক ছেড়ে রেখেছেন অন্তত ৩ জন সদ্য জয়ী তৃণমূল সাংসদ ও ৫০ জন বিধায়ক যে কোন দিন বিজেপিতে যোগদান করবেন। সবমিলিয়ে বেশ একটা ‘ফিল গুড ফ্যাক্টর’ বঙ্গ বিজেপির অন্দরমহলে। কিন্তু, তার মাঝেই তীব্র জল্পনা দল ছাড়তে চলেছেন বিজেপির অন্যতম রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু! সায়ন্তনবাবু এবারে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানের কাছে হেরে যান।

আর তারপরেই কার্যত, তিনি অন্তরালে চলে গেছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের মতে, তিনি পুরুলিয়াতে পরে থেকে সেখানে দলের সংগঠন মজবুত করেছিলেন। ফলে এবারে খুব করে চেয়েছিলেন পুরুলিয়া থেকে লড়তে, কিন্তু স্থানীয় রাজনীতির বাধ্যবাধকতায় সেখানে তাঁকে যখন টিকিট দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়, তখন তিনি লড়তে চেয়েছিলেন তাঁর ঘরের কেন্দ্র বারাসত থেকে। কিন্তু, তাঁকে দেওয়া হয় অপেক্ষাকৃত অনেক কঠিন কেন্দ্র বসিরহাট – যেখানে সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫০%। তবুও কঠিন লড়াই দেন তিনি – কিন্তু দিনের শেষে ফলাফল বেরোতেই দেখা যায় যে, তিনি জিততে পারেননি।

এই অবস্থায় তিনি কার্যত অজ্ঞাতবাসে চলে যান – এমনকি ঘনিষ্ঠদেরও ফোন ধরছিলেন না। মাঝে শুধু ফেসবুক পোস্ট করেন, যেখানে দলে নবাগতদের উপর নিজের অভিমান উগরে দেন! আর এবার তিনি দল ছাড়ার পরিকল্পনা নিয়েই নিয়েছেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। তবে, দল ছেড়ে তিনি অন্য কোন রাজনৈতিক দলে নাম লেখাচ্ছেন না। যে সংগঠন থেকে তিনি বিজেপিতে এসেছিলেন সেই আরএসএসেই তিনি ফিরে যাচ্ছেন বলে সূত্রের খবর। তিনি পর্দার আড়ালে থেকে সাংগঠনিক দায়িত্বই নাকি পালন করতে চান এবং এই বিষয়ে বাংলায় সঙ্ঘের এক হেভিওয়েট নেতার সঙ্গে তাঁর কথাও নাকি হয়ে গেছে। আর তাই তিনি রাজ্য সম্পাদকের পদ ছেড়ে নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন সঙ্ঘের হয়েই।

Top
error: Content is protected !!