এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান

গেরুয়া শিবিরে অবশেষে সীলমোহর “মুকুল ফর্মুলাতেই” – বড়সড় স্বস্তি চাণক্যের

তার নামের আগে "চাণক্য" বসার পেছনে অন্য দল থেকে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের বানিয়ে আনার কারণ রয়েছে। আর সেই কারণেই তিনি যখন যে দলের থাকুন না কেন সেই দলের নেতা শব্দ যুক্ত হওয়ার আগেও তাকে "চাণক্য মুকুল রায়" বলে সম্বোধন করেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। গত 2011 সালে বাম সরকার বিদায়ের পর তৃণমূল ক্ষমতায়

তৃণমূল বিধায়কের তহবিলের টাকায় এলাকার উন্নয়ন করছে না তৃণমূলেরই পৌরসভা! অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল কিছুটা খারাপ হওয়ার পর যখন উন্নয়নকে পাখির চোখ করে সাধারণ মানুষের কাছে দলের জনপ্রতিনিধিদের বেশি করে পৌঁছানো নির্দেশ দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক তখনই উন্নয়ন ইস্যুতে এবার তৃণমূল বিধায়ক বনাম তৃণমূলের পুরপ্রধানের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। জানা গেছে, কিছুদিন আগেই এলাকার উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবিত কাজ পৌরসভা করছে না

বিজেপির চিন্তনবৈঠক ঘিরে দুর্গাপুর এ ধুন্ধুমার – জানুন বিস্তারিত

লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যজুড়ে গেরুয়া ঝড় তোলা গেছে - এবার লক্ষ্য আসন্ন বিধানসভা নির্বচনে নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে, সেখানে গেরুয়া শিবিরের শাসন কায়েম করা। সেই লক্ষ্যেই নীল নকশা তৈরী করতে রাজ্য বিজেপির হেভিওয়েট নেতাদের নিয়ে দুদিন ধরে দুর্গাপুরে চলছে গেরুয়া শিবিরের চিন্তন বৈঠক। এই রিপোর্ট থেকেই রাজ্য নেতাদের নেওয়া সিদ্ধান্ত

ছিল মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া অফিস, হয়ে গেল বাংলার আবাস যোজনা ঘর

দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর অবশেষে ঘরের দেওয়ালে বাংলার আবাস যোজনার প্রকল্পের আইডি নম্বর এবং উপভোক্তার নাম লিখে দিতে বাধ্য হল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর 2 পঞ্চায়েত। কিন্তু ঘরটি তালাবন্ধ থাকায় সেইখানে উপভোক্তা বৃদ্ধ শঙ্কর মাঝি ঢুকতেই পারেননি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, দুদিন এই ঘরটি পুলিশ পাহারা দেবে। তারপরই শুক্রবার

কাটমানি নিয়ে উত্তাল বর্ধমান, তৃনমূল নেতাদের সামাজিক বয়কটের ডাক

লোকসভা নির্বাচনে দলের খারাপ ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পরই দুর্নীতি যে দলে জাঁকিয়ে বসেছে, তা ধরতে পেরেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরই রীতিমতো মাস্টারস্ট্রোক দিয়ে কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে "কেউ কাটমানি খেলে তা তাকেই ফেরত দিতে হবে" বলে জানিয়ে দেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। আর এরপরই দিকে দিকে তৃণমূল থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে শহরে তৃণমূলের মিছিল, সাংসদকে তীব্র আক্রমণ নেত্রীর

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় বেসরকারি বিলগ্নিকরনের বিরুদ্ধে গতকাল দুর্গাপুরে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে হওয়া এই মিছিলকে নেতৃত্ব দেন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী তথা রাজ‍্যসভার সাংসদ দোলা সেন। মিছিল থেকে তিনি তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি সরকারকে। প্রসঙ্গত, টানা দ্বিতীয়বার দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কেন্দ্রীয়

নিজের কেন্দ্রে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, জেনে নিন

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই কেন্দ্রের তরফে ভারতীয় রেলে বেসরকারি বিনিয়োগের উদ‍্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাজেটে রেলকে 'পিপিপি' মডেল বা 'পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ'-এর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। সেই অনুযায়ী ইতিমধ্যে রেলের সাতটি প্রোডাকশন ইউনিটে বিলগ্নিকরনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এর মধ‍্যে চিত্তরঞ্জনের রেল ইঞ্জিন কারখানা অন‍্যতম। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে সমর্থন করে আসানসোলে বিক্ষোভের

বিশ্বকাপ নিয়েও তৃণমূলকে কটাক্ষ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র, কি বললেন, জেনে নিন

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় -র নাম নির্বাচনের প্রাকমুহূর্ত থেকেই বিতর্কের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল।নির্বাচন পরবর্তীতেও তাঁর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তৈরী হয়েছে চাপানউতোর।কদিন আগেও হেভিওয়েট এই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রেলইঞ্জিন কারখানার বিলগ্নিকরণ সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানালে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে পড়েন। গতকাল আসানসোলে

বিক্ষোভের জেরে কাটমানির টাকা ফেরত দিলেন দুই তৃণমূল নেতা, জোর শোরগোল রাজ্যে

লোকসভা নির্বাচনে এবার তৃণমূলের ফল খুব একটা ভাল হয়নি। আর এর পরেই ফলাফল পর্যালোচনা বৈঠকে হারের কারণ খুঁজতে গিয়ে দুর্নীতিকেই প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করতে দেখা গেছে তৃণমূল নেতাদের। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তিকে সামনে আনতে গত 18 জুন কলকাতার নজরুল মঞ্চে কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে এই ব্যাপারে কড়া বার্তা

এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল নেতারা জেলে যেতে শুরু করবেন? জল্পনা বাড়ালেন হেভিওয়েট নেতা

অনেকদিন থেকেই সারদা এবং নারদা প্রবল অস্বস্তিতে ফেলতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্রের মত হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাদের একসময় শ্রীঘরেও যেতে হয়েছে। কিন্তু তারপর থেকে এই সারদা এবং নারদা নিয়ে সিবিআইয়ের অতি সক্রিয়তা চোখে পড়েনি। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মোদী-মমতা সমঝোতার অভিযোগ করতে দেখা গেছে বাম- কংগ্রেসকে। কিন্তু সদ্য সমাপ্ত

Top
error: Content is protected !!