এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ

গোষ্ঠীকোন্দল মেটাতে নেতা-মন্ত্রীকে ডেকে বৈঠকের পরেও সমাধান সূত্র মিলল কি তৃণমূলে?

কিছুদিন আগেই জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি পদে বদল ঘটায় তৃনমূল। কৃষ্ণকুমার কল্যানীকে নতুন সভাপতি পদে নিয়োগ করা হয়। আর তারপরই এই ব্যাপারে কিছুটা উষ্মা প্রকাশ করতে দেখা যায় জলপাইগুড়ি পৌরসভার চেয়ারম্যান মোহন বসুকে। যেখানে তিনি বলেছিলেন, "দল যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তখন নিশ্চয়ই ভালো হবে। তবে জলপাইগুড়ি জেলার চা শ্রমিকদের মধ্যে

বিজেপির পুরোনো কর্মীদের জন্য সুখবর, জেনে নিন

লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপি ভালো ফলাফল করার পরই দিকে দিকে তৃণমূল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে শুরু করেন। যার ফলে বিজেপি বহরে বাড়তে শুরু করলেও দলে অনেক বেনোজল ঢুকছে বলে সোচ্চার হয়েছিলেন আদি বিজেপি নেতা কর্মীরা। সম্প্রতি দু'দিনব্যাপী রাজ্য বিজেপির চিন্তন বৈঠক শেষ হয়েছে। যেখানে বিজেপিতে আসবার জন্য

ট্যাগড

খুশির ঈদের অনুষ্ঠান মঞ্চে নামাজ! জলপাইগুড়ির ঘটনা শুনলে আপনার চোখেও জল আসবে

ভারত বর্ষ ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এখানে নানা ধর্ম, নানা বর্ণের মানুষ একত্রে বসবাস করে। হিন্দুরা যেমন দুর্গাপুজোতে আনন্দ করে, ঠিক তেমনই মুসলমানরা ঈদে তাদের উৎসব পালন করে। নিজ ধর্মকে সম্মান করেন না এমন ব্যক্তি খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে এই ভারতভূমিতে। গতকাল সারা দেশ জুড়ে মহাসমারোহে ঈদ পালিত হয়েছে। আর এই ঈদ

বিধানসভার ওপিনিয়ন – এই মুহূর্তে ভোট হলে কি হতে পারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার চিত্র?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর - আরও জমজমাট বঙ্গভূমির রাজনৈতিক লড়াই। একদিকে, লোকসভায় ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেরুয়া শিবির তাল ঠুকছে, এবার তাদের লক্ষ্য নবান্নের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরেছেন দলের সাংগঠনিক হাল, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে

সভাপতি পদ হারানোয় কি ক্ষোভ ধরা পড়ছে? শীর্ষ নেতৃত্বের অনুরোধ ঘিরে জল্পনা

সহযোগিতার বার্তা দেওয়া সত্ত্বেও কোথাও যেন ক্ষোভ থেকেই গেল আলিপুরদুয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি মোহন শর্মার অন্দরে। যা রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মনে। সম্প্রতি আলিপুরদুয়ার জেলায় সাংগঠনিক রদবদল ঘটেছে। সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলায় ধরাশায়ী হয়ে পড়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর এরপরই শুরু হয়েছে

বিধানসভার ওপিনিয়ন – এই মুহূর্তে ভোট হলে কি হতে পারে উত্তর দিনাজপুর জেলার চিত্র?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর - আরও জমজমাট বঙ্গভূমির রাজনৈতিক লড়াই। একদিকে, লোকসভায় ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেরুয়া শিবির তাল ঠুকছে, এবার তাদের লক্ষ্য নবান্নের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরেছেন দলের সাংগঠনিক হাল, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে

পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত তৃনমূলের জেলা সভাপতির, জোর গুঞ্জন

এক সময় প্রচুর অস্থায়ী কর্মী বালুরঘাট পৌরসভায় নিয়োগ করেছিল তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড। কিন্তু মাঝে মধ্যেই সেই অস্থায়ী কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, তারা কাজ না করে বসে থেকেই বেতন নিচ্ছেন। আর তাই এবার সেই সমস্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছেন বালুরঘাট পুরসভার বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের সদস্য অর্পিতা ঘোষ। বস্তুত, প্রায়

বিজেপি কাউন্সিলর হয়ে তৃণমূলকে সমর্থন, কড়া পদক্ষেপের পথে গেরুয়া শিবির

এ যেন প্রবল সংকটে গেরুয়া শিবির। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবার ফের আরেক নতুন জটিলতা সামনে এল। বস্তুত, লোকসভা নির্বাচনের সময় তৎকালীন তৃণমূলের জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্রের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন গঙ্গারামপুর পৌরসভার কাউন্সিলর অশোক বর্ধন। তবে নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে সেই বিপ্লব মিত্র বিজেপিতে যোগদানের

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সফরে দিলীপ ঘোষ, ভরসা নেই কি বিপ্লবে? জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

কিছুদিন আগেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় তৃণমূলের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিত বিপ্লব মিত্র তৃনমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। যার পরেই সেই বিপ্লববাবুর হাত ধরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় তৃণমূলের হাতে থাকা সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা বিজেপিতে চলে আসবে বলে বিভিন্ন মহলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। কিন্তু তেমন কিছু তো হয়ইনি, উল্টে বিজেপিতে যে সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা এসেছিলেন, তারা

ফের ঘর ওয়াপসি, বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলেপঞ্চায়েত সদস্যরা, চাপ বাড়ছে গেরুয়া শিবিরের

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় 18 টা আসন পাওয়ার পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বদল আসতে শুরু করে। যেখানে প্রায় সমস্ত পৌরসভা, পঞ্চায়েত, জেলাপরিষদ ও বিধানসভা তৃণমূলের দখলে থাকলেও একের পর এক বিধানসভার বিধায়ক, পৌরসভার কাউন্সিলর এবং জেলা পরিষদের সদস্যরা বিজেপির ঝান্ডা ধরেন। কিন্তু সম্প্রতি যে সমস্ত পৌরসভার কাউন্সিলররা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন,

Top
error: Content is protected !!